ফেনীর দাগনভুঞাঁ উপজেলায় যুবলীগ সভাপতির উপর সন্ত্রাসী হামলা

ফেনীর দাগনভুঞাঁ উপজেলায় যুবলীগ সভাপতির উপর
সন্ত্রাসী হামলা।

ফেনীর দাগনভূঞাঁ উপজেলায় সন্ত্রাসী হামলায় ১নংসিন্দুরপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আজাদুল ইসলাম আজাদের (৩৬) উপর (১৯ অক্টোবর) সোমবার সন্ধ্যার সময় স্থানীয় সুন্দারপুর দোকানের সামনে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, ওইদিন বিকেলে স্থানীয় সুন্দারপুর গ্রামে একটি শালিশে যায় আজাদ। শালিশ থেকে ফিরে সুন্দারপুর চায়ের দোকানে তার বন্ধু মোঃ স্বপনসহ বসে কথা বলছিল। ওইসময় একদল সন্ত্রাসী যুবলীগ নেতা আজাদকে লক্ষ করে এসএসের ষ্ট্রীলের রড় দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে হামলা চালিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ফেনী ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন। ওইদিন রাতে আজাদের ঘনিষ্ঠরা স্থানীয় দরবেশের হাটে সন্ত্রাসী হামলার বিচার চেয়ে বিক্ষোভ মিছিল করে। অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবী জানান। অাহত আজাদের বন্ধু স্বপন বর্তমানে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভর্তির আছে।

আহতের চাচাতো ভাই শাহাদাত হোসেন ও সিন্দুরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক জানান, যুবলীগ নেতা আজাদ স্থানীয় সুন্দারপুর গ্রামের একটি চায়ের দোকানে তার বন্ধু স্বপনসহ কথা বলছিল। ওইসময় স্থানীয় সন্ত্রাসী সাইফ উদ্দিন লিটু, মাওলা, ফারুক ও ছদর বাহিনী আজাদের পর অতর্কিত হামলা চালায়। তাকে এসএসের ষ্ট্রীলের রড় দিয়ে এলোপাতাড়ি রক্তাক্ত জখম করে। আগামীতে আজাদ সিন্দুরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী। সে এলাকার জনপ্রিয় নেতা। একারনে তাকে আরও আগে থেকে সন্ত্রাসী সাইফ উদ্দিন লিটু বাহিনীর লোকজন প্রায় সময় হুমকি ধমকি দিয়ে অাসছে।

স্থানীয় ৪নং ওয়ার্ড যুবলীগের নেতা ও ৪নং ওয়ার্ড যুবলীগের প্রচার সম্পাদক মোঃ রাকিব জানান, যুবলীগ নেতা আজাদ স্থানীয় সন্ত্রাসী লিটু বাহিনীর বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধমকি দিয়ে অাসছে। তিনি যেন আগামীতে সিন্দুরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে সে জন্য এই সন্ত্রাসী হামলা চালায়।

উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আবুল ফোরকান বুলবুল ও সাধারণ সম্পাদক অাবদুল্লাহ আল মামুন জানান, যুবলীগ নেতা আজাদের উপর এই নির্মম সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা ও তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার জোর দাবী জানান। তাকে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে দেখে এসেছি তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

কোরেশমুন্সী পুলিশ ফাঁড়ি থানার ইনচার্জ মোজাম্মেল হোসেন জানান, ইট নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল। কেউ লিখিত কোন অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ ফেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আসলাম সিকদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ইট নিয়ে দ্বন্দ্বের ছিল। কেউ লিখিতভাবে অভিযোগ করেনি, অভিযোগ ফেলে তদন্ত করে অাইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com